❖ পুরস্কার: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৬), অগ্রণী শিশু-সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৬), মার্কেন্টাইল ব্যাংক পুরস্কার (২০০৪), একুশে পদক (২০১২, মরণোত্তর)।
❖ কর্ম জীবন: চট্টগ্রাম কলেজে যোগদানের (১৯৬৯) মধ্য দিয়ে তাঁর পেশাগত জীবন শুরু হয়। এরপর ১৯৭০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ১৯৭২ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ১৯৭৮ সালের ১ নভেম্বর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন এবং ১৯৮৬ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।
❖ ফেলোশিপ: জার্মানির পিইএন কর্তৃপক্ষ ‘কবি হাইনরিশ হাইনের জীবনী ও তাঁর কবিতার বাংলা অনুবাদ’ বিষয়ে গবেষণার জন্য এক বছরের (১ আগস্ট ২০০৪-৩১ জুলাই ২০০৫) ফেলোশিপ প্রদান করলে তিনি জার্মানিতে গমন করেন। ২০০৪ সালের ১২ আগস্ট দেশটির মিউনিখ শহরে তাঁর মৃত্যু হয়।
❖ উপন্যাস: ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল (১৯৯৪, প্রথম উপন্যাস), সব কিছু ভেঙে পড়ে (১৯৯৫), কবি অথবা দণ্ডিত অপুরুষ (১৯৯৯), পাক সার জমিন সাদ বাদ (২০০৪), নিজের সঙ্গে নিজের জীবনের মধু (২০০০), ফালি ফালি ক’রে কাটা চাঁদ (২০০১),১০,০০০, এবং আরো ১টি ধর্ষণ (২০০২), আব্বুকে মনে পড়ে, শ্রাবণের বৃষ্টিতে রক্তজবা, একটি খুনের স্বপ্ন, শুভব্রত, তার সম্পর্কিত সুসমাচার, রাজনীতিবিদগণ, মানুষ হিশেবে আমার অপরাধসমূহ।
❖ কাব্যগ্রন্থ: অলৌকিক ইস্টিমার (১৯৭৩, প্রথম কাব্য), জ্বলো চিতাবাঘ (১৯৮০), সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে (১৯৮৫), যতোই গভীরে যাই মধু যতোই উপরে যাই নীল (১৯৮৭), আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে (১৯৯০), আধুনিক বাংলা কবিতা (১৯৯৪), কাফনে মোড়া অশ্রু বিন্দু (১৯৯৮), কাব্য সংগ্রহ (১৯৯৮), পেরোনোর কিছু নেই (২০০৪)।
❖ কিশোর রচনা: লাল নীল দীপাবলি বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী, ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, কতো নদী সরোবর বা বাঙলা ভাষার জীবনী, বুকপকেটে জোনাকি পোকা।
❖ গল্পগ্রন্থ: যাদুকরের মুত্যু।
❖ অন্যান্যগ্রন্থ: নিবিড় নীলিমা, মাতাল তরণী, নরকে অনন্ত ঋতু, জলপাই রঙের অন্ধকার, সীমাবদ্ধতার সূত্র, আঁধার ও আধেয়, আমার অবিশ্বাস।