➤ ১৯২১ সালের ১৬ জুলাই ভারতে ফিরে গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন।
➤ প্রথম ঢাকায় আসেন ১৯২৪ সালে।
➤ ১৯২৮ সালে কলকাতায় ‘বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স’ গঠন করেন।
➤ ১৯৩৬ সালে ঢাকা পৌরসভার লক্ষ্মীবাজার ও বাংলাবাজার সড়কের নামকরণ করা হয় সুভাষ বোস অ্যাভিনিউ।
➤ ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অবিভক্ত ভারতের দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি। ১৯৩৮ সালে কংগ্রেস সভাপতি হন এবং ১৯৩৯ সালে পদত্যাগ করেন।
➤ ১৯৩৯ সালে কংগ্রেসের ভেতরে ‘ফরওয়ার্ড ব্লক’ প্রতিষ্ঠা করেন ।
➤ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় তিনি অক্ষশক্তির পক্ষালম্বন করেন।
➤ ভারতকে ব্রিটিশ শাসনমুক্ত করতে ১৯৪১ সালে গোপনে কোলকাতা ত্যাগ করে কাবুল ও রাশিয়া হয়ে জার্মানিতে যান। সেখানে বার্লিনে তিনি জার্মানি ও জাপান সরকারের সমর্থন লাভ করেন।
➤ ১৯৪২ সালের ১ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর সঙ্গে মিলে ‘আজাদ হিন্দ ফৌজ’ প্রতিষ্ঠা করেন।
➤ বিশ্বযুদ্ধের শেষদিকে জাপানি বাহিনীর পশ্চাদপসারণের সঙ্গে সঙ্গে আজাদ হিন্দ ফৌজও ব্রিটিশ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করে।
➤ ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট সুভাষচন্দ্র বসুকে বহনকারী জাপানি বিমান জাপানশাসিত ফোরমোসায় (বর্তমান তাইওয়ান) বিধ্বস্ত হয় এবং তাঁর মৃত্যু ঘটে।
➤ ২০ আগস্ট তাইহোকু শ্মশানে তাঁর মরদেহ দাহ করা হয়।
➤ ২৩ আগস্ট জাপানি সংবাদ সংস্থা তাঁর মৃত্যুর খবর ঘোষণা করে।
➤ ২০০৪ সালের বিবিসির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় অবস্থান পঞ্চম।