∎ শিক্ষা: কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে অনার্সসহ বিএ (১৯৪৬)।
∎ পুরস্কার: আদমজী পুরস্কার (১৯৬২, সারেং বৌ উপন্যাসের জন্য), বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৯ সালে, উপন্যাসে), একুশে পদক (১৯৮৩ সালে, সাংবাদিকতায়, মরণোত্তর) এবং স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৯৮ সালে, সাহিত্যে, মরণোত্তর)।
শহীদুল্লা কায়সারের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম
∎ উপন্যাস: সারেং বৌ (১৯৬২, প্রথম উপন্যাস), কৃষ্ণচূড়া মেঘ (১৯৫৯ সালে), সমুদ্র ও তৃষ্ণা, সংশপ্তক (১৯৬৫), তিমির বলয়, কবে পোহাবে বিভাবরী (১৯৭১, শেষ উপন্যাস, অসমাপ্ত), দিগন্তে ফুলের আগুন (১৯৬১) ও কুসুমের কান্না।
∎ ভ্রমণকাহিনি: পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ (১৯৬৬)।
∎ স্মৃতিকথা: রাজবন্দীর রোজনামচা (১৯৬২, প্রথম প্রকাশিত বই)।
∎ নিবন্ধ: রাজনৈতিক পরিক্রমা (৮৩টি নিবন্ধ নিয়ে রচিত)।
∎ কাব্যগ্রন্থ: চারিদিকে ফুলের মেলা।
∎ নাটক: যাদু-ই-হালুয়া।
চরিত্র
> সারেং বৌ: নবিতুন, কদম সারেং, লুন্দর শেখ, আক্কি, শরবতি।
> সংশপ্তক: মালু, রাবু, জাহেদ, সেকান্দার মাস্টার, লেকু, হুরমতি, ফেলু মিঞা, রমজান।
∎ বিশেষ তথ্য
∎ ১৯৪৯ সালে ঢাকার সাপ্তাহিক ইত্তেফাক পত্রিকায় শহীদুল্লার সাংবাদিক জীবন শুরু হয়।
∎ ১৯৫৮ সালে দৈনিক সংবাদ এর সম্পাদকীয় বিভাগে সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন।
∎ ১৯৫১ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য নির্বাচিত হন।
∎ ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলনে সাহসী ভূমিকা পালন করেন এবং ৩ জুন গ্রেফতার হয়ে প্রায় সাড়ে ৩ বছর কারাভোগ করেন। ১৯৫৫ সালে পুনরায় গ্রেফতার ও কারারুদ্ধ হন। ১৯৫৮ সালের ১৪ অক্টোবর সামরিক শাসক কর্তৃক পুনরায় গ্রেফতার হন। এবং প্রায় ৪ বছর কারাভোগের পর ১৯৬২ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পান।
∎ সারেং বৌ উপন্যাস অবলম্বনে পরবর্তীতে সিনেমা তৈরি হয়।
∎ সংবাদপত্রে তিনি ‘দেশপ্রেমিক’ ছদ্মনামে ‘রাজনৈতিক পরিক্রমা’ এবং ‘বিশ্বকর্মা’ ছদ্মনামে ‘বিচিত্র কথা’ নামক কলাম লিখতেন।