রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
সাহিত্যিক, শিক্ষাব্রতী, সমাজ সংস্কারক এবং নারী জাগরণ ও নারীর অধিকার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
জন্ম: ৯ ডিসেম্বর ১৮৮০ সাল।
মৃত্যু: ৯ ডিসেম্বর ১৯৩২ সাল।
জন্মস্থান: পায়রাবন্দ গ্রাম, মিঠাপুকুর থানা, রংপুর জেলা।
প্রকৃত নাম: রোকেয়া খাতুন।
পিতা: জহিরুদ্দিন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার।
মাতা: রাহেতুন্নেসা সাবেরা চৌধুরানী
স্বামী: সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন।
❖ শিক্ষা: প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও বাড়িতে বসে ইংরেজি, উর্দু, বাংলা, আরবি ও ফারসি ভাষা আয়ত্ত করেন।
❖ রোকেয়া দিবস: ৯ ডিসেম্বর।
❖ বেগম রোকেয়া পদক: নারী কল্যাণ সংস্থা ১৯৯১ সাল থেকে পদকটি চালু করে। সরকারিভাবে ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতি বছর পদকটি প্রদান হচ্ছে। ৯ ডিসেম্বর পদক প্রদান করা হয়।
❖ প্রথম রচনা: পিপাসা (১৯০২ সাল, গদ্য রচনা)।
❖ প্রবন্ধ গ্রন্থ: মতিচূর (১ম খণ্ড: ১৯০৪, ২য় খণ্ড: ১৯২২), সুলতানার স্বপ্ন ❖ (ইংরেজি অনুবাদ: Sultana’s Dream)।
❖ উপন্যাস: পদ্মরাগ (১৯২৪)।
❖ ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ: অবরোধ বাসিনী (১৯৩১)।
✹ বিশেষ তথ্য
✔ বিবিসি জরিপকৃত (২০০৪) সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায়— ষষ্ঠ।
✔ ১৯০৯ সালে বিহারে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯১১ সালের ১৬ মার্চ এটি স্থানান্তরিত হয়— কলকাতায়।
✔ প্রথম লেখা প্রকাশিত হয়—‘নবনূরপত্রিকায়।
✔ ‘সুলতানার স্বপ্ন’ তাঁর রচিত—বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি।
✔ মুসলিম নারীদের সংগঠন আঞ্জুমানে খাওয়াতিনে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন— ১৯১৬ সালে।
✔ সৌরজগৎ, ডেলিসিয়া হত্যা (মেরী করেলী রচিত Murder of Delicia, ১৮৯৬ উপন্যাসের গল্পাংশের অনুবাদ), জ্ঞান-ফল, নারী-সৃষ্টি, নার্স নেলী, মুক্তি-ফল প্রভৃতি গল্প ও রূপকথা রয়েছে— মতিচূর ২য় খণ্ডে।
✔ নারীদের রান্না, সেলাই, সন্তান পালনসহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া জন্য ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেন— মুসলিম মহিলা ট্রেনিং স্কুল।
✔ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী হলের নামকরণ করা হয় রোকেয়া হল নামে— ১৯৬৪ সালে।
✔ রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়’ নামকরণ করা হয়— ২০০৯ সালে।
