রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

(৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১)
(২৫ বৈশাখ ১২৬৮ – ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ)
কবি, সংগীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষবিদ। মূলত কবি হিসেবেই তাঁর প্রতিভা বিশ্বময় স্বীকৃত।
জন্মস্থান: কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে (মাতা-পিতার চর্তুদশ সন্তান, অষ্টম পুত্র )।
উপাধি: গুরুদেব, কবিগুরু, বিশ্বকবি।
ছদ্মনাম: ভানুসিংহ ঠাকুর, অকপট চন্দ্র, দিকশূন্য  ভট্টাচার্য, আন্নাকালী পাকড়াশী, নবীন কিশোর শর্মণ, ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মা, বাণীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ, শ্রীমতি কনিষ্ঠা, শ্রীমতি মধ্যমা, ভূতনাথ বাবু।
পিতা: মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
মাতা: সারদাসুন্দরী দেবী।
স্ত্রী: মৃণালিনী দেবী (আসল নাম ভবতারিণী দেবী, বিয়ে হয় ১৯৮৩ সালে ও মৃত্যু হয় ১৯০২ সালে এবং রবীন্দ্রনাথের শ্বশুর বাড়ি খুলনায়)।
পারিবারিক উপাধি: কুশারী।
বংশ: পীরালি ব্রাহ্মণ বাংলার ব্রাহ্মণ সমাজের একটি ‘থাক’ বা উপসম্প্রদায়। ভারত-বাংলাদেশ উভয় রাষ্ট্রে এই ‘থাক’ ব্রাহ্মণদের দেখা যায়। উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ ঠাকুর পরিবারের সদস্যরা ছিলেন এই থাকভুক্ত ব্রাহ্মণ।