❖মাইকেল মধুসূদনের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মঃ
মহাকাব্য: মেঘনাদবধ কাব্য (১৮৬১)।
নাটক: শর্মিষ্ঠা (১৮৫৯, বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক), পদ্মাবতী (১৮৬০), কৃষ্ণকুমারী (১৮৬১), হেক্টরবধ (১৮৭১), মায়াকানন (১৮৭৪, শেষ বিয়োগান্ত নাটক)।
কাব্যগ্রন্থ: দ্য ক্যাপটিভ লেডি (১৮৪৯, প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ),ভিশনস অব দ্য ফাস্ট, তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য (১৮৬০), ব্রজাঙ্গনা কাব্য (১৮৬১), বীরাঙ্গনা কাব্য (১৮৬২), চতুর্দশপদী কবিতাবলী (১৮৬৬), হেক্টরবধ (১৮৭১, অসমাপ্ত গদ্যকাব্য), সুভদ্রা (নাট্যকাব্য)।
প্রহসন: একেই কি বলে সভ্যতা (১৮৬০০ ও বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ (১৮৬০)।
❖মধুসূদন দত্তের সৃষ্ট চরিত্রঃ
❖তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য⎯ সুন্দ, উপসুন্দ, তিলোত্তমা, ইন্দ্র, ইন্দ্রানী, বিশ্বকর্মা।
❖মেঘনাদবধ কাব্য⎯ রাম, লক্ষণ, সীতা, রাবণ, বীরবাহু, মেঘনাদ, প্রমীলা, সুপর্ণখা, বিভীষণ।
❖বীরাঙ্গনা কাব্য⎯ শকুন্তলা, সোম, নীলধ্ব, দশরথ, কৈকেয়ী।
❖শর্মিষ্ঠা⎯ যযাতি, দেবযানী, শর্মিষ্ঠা, পূর্ণিমা, মাধব্য।
❖কৃষ্ণকুমারী⎯ কৃষ্ণকুমারী, মদনিকা, ভীমসিংহ, জগৎসিংহ।
❖পদ্মাবতী⎯ শচী, মুরজা,রতি, পদ্মাবতী, ইন্দ্রনীল।
❖একেই কি বলে সভ্যতা⎯ কালীনাথ, নবকুমার, বাবাজী, নিতম্বিনী, পয়োধরী, কর্তা মশায়।
❖বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ⎯ গদাধর, পুঁটি, ফাতেমা, ভগী, প্রসাদ বাবু।
❖বিশেষ তথ্য:
● বাংলা সাহিত্যের প্রথম⎯ সার্থক নাট্যকার।
● বাংলা সাহিত্যের প্রথম⎯ প্রহসন রচয়িতা।
● বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক⎯ মহাকাব্য রচয়িতা।
● বাংলা সাহিত্যের প্রথম⎯ পত্রকাব্য রচয়িতা।
● বাংলা কাব্য সাহিত্যে⎯ আধুনিকতার জনক।
● বাংলা সাহিত্যের প্রথম⎯ বিদ্রোহী কবি।
● নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ করেন⎯ ১৮৬১ সাল।
● মধুসূদন রচিত ও প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ⎯ দ্য ক্যাপটিভ লেডি।
● অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম প্রয়োগ করেন⎯ পদ্মাবতী নাটকে।
● অমিত্রাক্ষর ছন্দের সার্থক প্রয়োগ ঘটান⎯ তিলোত্তমাসম্ভব কাব্যে।
● বাংলা সাহিত্যের অমিত্রাক্ষর ছন্দের রচিত প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ⎯ তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য।
● রামায়ণ-এর কাহিনী অবলম্বনে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য⎯ মেঘনাদবধ কাব্য।
● বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য⎯ বীরাঙ্গনা কাব্য (অমিত্রাক্ষর ছন্দের রচিত, ১১টি পত্র আছে, ইতালিয়ান কবি ওভিদের ‘The Heroides’ কাব্য অবলম্বনে রচনা করেন)।
● বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন⎯ চতুর্দশপদী কবিতাবলী (১০২টি কবিতা আছে)।
● উইলিয়াম টডের ‘রাজস্থান’ গ্রন্থের রাজপুত উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত বিয়োগান্ত নাটক⎯ কৃষ্ণকুমারী।
● বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট কবিতা⎯ বঙ্গভাষা।
● পদ্মাবতী নাটক রচনা গ্রিক পুরাণের⎯ Apple of Discord অবলম্বনে।
● বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক⎯ কৃষ্ণকুমারী।
● ‘দত্তকুলোদ্ভব’ কবি বলা হয়⎯ মাইকেল মধুসূদন দত্তকে।
● মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেমের প্রবল প্রকাশ ঘটে⎯ সনেটে।
● কপোতাক্ষ নদ সনেটটি⎯ চতুর্দশপদী কবিতাবলী কাব্যের অন্তর্গত।
● মাইকেল মধুসূদন দত্তের মৃত্যু হয়⎯ আলিপুর হাসপাতালে।
● রেনাসাঁসের প্রেরণা লক্ষ করা যায়⎯ মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখায়।
● শেক্সপীয়রীয় ও পেত্রার্কীয় রীতি অবলম্বন করে মধুসূদন দত্ত রচনা করেন⎯ বঙ্গভাষা শীর্ষক সনেট।
● মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম গীতিকবিতা⎯ আত্মবিলাপ।
● মাইকেল মধুসূদন দত্ত জীবিত ছিলেন⎯ ঊনবিংশ শতাব্দীতে।
● মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবন চরিত লিখেন⎯ যোগীন্দ্রনাথ বসু।