আবিষ্কার ও খনন
১৮৭৯ সালে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম বিহারটি আবিষ্কার করেন। ১৯২৩-১৯৩৪ সাল পর্যন্ত এটির খনন কাজ চলে। খনন কালে মাটির একটি সিল থেকে জানা যায়, এটি সোমপুর বিহার।
স্বীকৃতি লাভ
১৯৮৫ সালে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির নবম অধিবেশনে ইউনেস্কো সোমপুর বিহারকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়। প্রত্নস্থলটি ১৯০৯ সালে পুরাকীর্তি আইনের আত্ততায় ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ কর্তৃক ১৯১৯ সালে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়। এটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহার বলা যেতে পারে। আয়তনে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের সঙ্গে তুলনা হতে পারে।
শিক্ষায় অবদান
এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের বিখ্যাত ধর্মচর্চার কেন্দ্র ছিল। শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মিয়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে আসতেন ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জনে। খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারটির আচার্য ছিলেন অতীশ দীপঙ্কর। বিহারটিতে অবস্থান করতেন প্রাচীন চর্যাগীতিকার কাহ্নপা ও তাঁর গুরু জলন্দরী পা ওরফে হাড়ি পা।
বৈশিষ্ট্য
বিহারের দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট ও উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট। মূল ভবনে কক্ষ ছিল ১৭৭টি। ১২৫ নম্বর কক্ষে মাটির পাত্রে পাওয়া যায় খলিফা হারুন-অর-রশিদের শাসনামলের রৌপ্যমুদ্রা।