❖ প্রাথমিক জীবন
কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। মক্তবে (মসজিদ পরিচালিত মুসলিমদের ধর্মীয় স্কুল) কুরআন, ইসলাম ধর্ম, দর্শন এবং ইসলামী ধর্মতত্ত্ব অধ্যয়ন করেন। ১৯০৮ সালে মাত্র নয় বছর বয়সে পিতার মৃত্যু হয়। পিতার মৃত্যুর পর পারিবারিক অভাব-অনটনের কারণে তাঁর শিক্ষাজীবন বাধাগ্রস্ত হয় এবং মাত্র দশ বছর বয়সে জীবিকা অর্জনে কাজে নামেন। এসময় তিনি মক্তব থেকে নিম্ন মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে একই মক্তবে শিক্ষকতা শুরু করেন। একই সাথে হাজি পালোয়ানের কবরের সেবক এবং মসজিদের মুয়াযযিনের (আযান দাতা) কাজ করেন। এসব কাজের মাধ্যমে তিনি অল্প বয়সে ইসলামের মৌলিক আচার-অনুষ্ঠানের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হন । যা পরবর্তীকালে তাঁর সাহিত্যকর্মকে বিপুলভাবে প্রভাবিত করে।
মক্তব, মসজিদ ও মাজারের কাজ তিনি বেশি দিন করেন নি। বাল্য বয়সে লোকশিল্পের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে একটি লেটো (বাংলার রাঢ় অঞ্চলের কবিতা, গান ও নৃত্যের মিশ্র আঙ্গিক চর্চার ভ্রাম্যমাণ নাট্যদল) দলে যোগ দেন। তাঁর চাচা কাজী বজলে করিম চুরুলিয়া অঞ্চলের লেটো দলের বিশিষ্ট উস্তাদ ছিলেন এবং আরবি, ফার্সি ও উর্দু ভাষায় দক্ষ ছিলেন। এছাড়া বজলে করিম মিশ্র ভাষায় গান রচনা করতেন। ধারণা করা হয়, বজলে করিমের প্রভাবে নজরুল লেটো দলে যোগ দেন।
তাছাড়া তিনি ঐ অঞ্চলের জনপ্রিয় লেটো কবি শেখ চকোর (গোদা কবি) এবং কবি বাসুদেবের লেটো ও কবিগানের আসরে নিয়মিত অংশ নিতেন। লেটো দলে তাঁর সাহিত্য চর্চা শুরু হয়। এ দলের সাথে তিনি বিভিন্ন স্থানে যেতেন। তাঁদের সাথে অভিনয় শিখতেন এবং তাঁদের নাটকের জন্য গান ও কবিতা লিখতেন। নিজ কর্ম ও অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বাংলা এবং সংস্কৃত সাহিত্য অধ্যয়ন করেন। একই সাথে হিন্দু ধর্মগ্রন্থ অর্থাৎ পুরাণসমূহ অধ্যয়ন করেন।
অল্প বয়সে তাঁর নাট্যদলের জন্য বেশকিছু লোকসঙ্গীত রচনা করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - চাষার সঙ, শকুনীবধ, রাজা যুধিষ্ঠিরের সঙ, দাতা কর্ণ, আকবর বাদশাহ, কবি কালিদাস, বিদ্যাভূতুম, রাজপুত্রের গান, বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ ও মেঘনাদ বধ। তাছাড়া তিনি কালীদেবীকে নিয়ে প্রচুর শ্যামা সঙ্গীত রচনা করেন। ১৯১০ সালে তিনি লেটো দল ছেড়ে ছাত্র জীবনে ফিরে আসেন।
❖ শিক্ষা
দশ বছর বয়সে গ্রামের মক্তব থেকে নিম্ন প্রাইমারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯১৪ সালে ত্রিশালের দরিরামপুর স্কুলে ভর্তি হন এবং ১৯১৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের রানীগঞ্জের শিয়ারশোল রাজস্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি হন। এই স্কুল থেকে ১৯১৭ সালে দশম শ্রেণি প্রি-টেস্ট পরীক্ষার সময় লেখাপড়া অসমাপ্ত রেখে সেনাবাহিনীতে (৪৯ নম্বর বাঙালি পল্টনে যোগ দেন) যোগদান করেন।
❖ একনজরে
⮚ কাজী নজরুল ইসলামের নাম এক সময় পত্রিকায় ছাপা হতো – হাবিলদার কাজী নজরুল ইসলাম নামে।
⮚ কাজী নজরুল ইসলাম মস্তিস্কের ব্যাধিতে আক্রান্ত হন – ১০ অক্টোবর ১৯৪২ সালে ৪৩ বছর বয়সে।
⮚ কাজী নজরুল ইসলামকে বঙ্গবন্ধু সরকার কর্তৃক ঢাকায় আনা হয় – ২৪ মে ১৯৭২ সালে।
⮚ কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয় – ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৬ সালে।
⮚ কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি ঘোষণা করা হয় – ১৯৮৭ সালে।
⮚ কাজী নজরুল ইসলাম প্রথম ঢাকা ( মোট ১৩ বার ) আসেন – ১৯২৬ সালের জুন মাসের শেষ সপ্তাহ।
⮚ কাজী নজরুল ইসলামকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় সমাধিত করা হয় – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গনে।
⮚ কাজী নজরুল ইসলাম সৈনিক পদে যোগদান করেন ১৯১৭ সালে এবং ফিরে আসেন – ১৯২০ সালে।
⮚ ধূমকেতু কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত একটি অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা যা প্রথম প্রকাশিত হয় - ১১ আগস্ট ১৯২২ সালে।
⮚ ধূমকেতু পত্রিকার ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯২২ সংখ্যায় নজরুলের রাজনৈতিক কবিতা ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ প্রকাশিত হলে ব্রিটিশ সরকার পত্রিকার সংখ্যাটি নিষিদ্ধ করে - ৮ নভেম্বর ১৯২২ সালে।
❖ কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম সবকিছু
⮚ প্রথম প্রকাশিত গল্প — বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী ( ১৯১৯ )।
⮚ প্রথম কবিতা — মুক্তি।
⮚ প্রথম গ্রন্থ — ব্যথার দান ( ১৯২২ )।
⮚ প্রথম কাব্যগ্রন্থ — অগ্নিবীণা ( ২৫ অক্টোবর, ১৯২২ )।
⮚ প্রথম নাটক — ঝিলিমিলি।
⮚ প্রথম উপন্যাস — বাঁধনহারা।
⮚ প্রথম প্রবন্ধ — তুর্ক মহিলার ঘোমটা খোলা ( ১৯১৯ )।
⮚ প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ — যুগবাণী।
❖ পুরস্কার
একুশে পদক ( ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৬ সাল ), স্বাধীনতা পুরস্কার ( ১৯৭৭ সাল, সাহিত্যে), ডি. লিট উপাধি ( ৯ ডিসেম্বর ১৯৭৪ সাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ), জগত্তারিণী স্বর্ণপদক (১৯৪৫ সাল, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ), পদ্মভূষণ ( ১৯৬০ সাল, ভারত সরকার ), ডি. লিট উপাধি ( ১৯৬৯ সাল, রবীন্দ্রভারতী ), বিবিসির জরিপে ( ২০০৪ সালে ) সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় তৃতীয়।
❖ সম্পাদিত পত্রিকাসমূহ
ধূমকেতু ( ১৯২২ ), লাঙ্গল ( ১৯২৫ ), নবযুগ ( ১৯২০ )।
❖ কাব্যগ্রন্থ
বিদ্রোহ প্রধান কাব্য – অগ্নিবীণা ( ১৯২২ ), বিষের বাঁশি ( ১৯২৪ ), সর্বহারা ( ১৯২৬ ), ভাঙার গান ( ১৯২৪ ), সাম্যবাদী ( ১৯২৫ ), প্রলয়শিখা ( ১৯৩০ ), ফণি-মনসা ( ১৯২৯ ), সন্ধ্যা ( ১৯২৯ )।
প্রেম প্রধান কাব্য – দোলনচাঁপা ( ১৯২৩ ), পূবের হাওয়া ( ১৯২৫ ), চক্রবাক ( ১৯২৯ ), ছায়ানট ( ১৯২৪ ), সিন্ধু হিন্দোল ( ১৯২৭ )।
অন্যান্য কাব্য – নতুন চাঁদ ( ১৯৪৫ ), ঝড় ( ১৯৬০ ), নির্ঝর, শেষ সওগাত ( ১৯৫৮ ), ঝিঙে ফুল ( ১৯২৭, শিশুতোষ কাব্য ), সাত ভাই চম্পা ( শিশুতোষ কাব্য )।
জীবনীগ্রন্থ: মরুভাস্কর (১৯২৭, হযরত মুহাম্মদ স. জীবন), চিত্তনামা (১৯২৫, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসকে নিয়ে লেখা) ।
❖ কাব্যগ্রন্থ ও বিখ্যাত কবিতা
|
কাব্যগ্রন্থ
|
বিখ্যাত কবিতা
|
|
অগ্নিবীণা
|
প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী, রক্তাম্বরধারিণী মা, কামাল পাশা, আগমনী, খেয়াপারের তরণী, রণভেরী, সাত-ইল-আরব, আনোয়ার, কোরবানী, মোহররম, ধূমকেতু।
|
|
সিন্ধু-হিন্দোল
|
দারিদ্র্য, সিন্ধু।
|
|
দোলন-চাঁপা
|
আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে, বেলাশেষে, পুবের চাতক, পূজারিণী, অবেলার ডাক, কবি-রানী।
|
|
বিষের বাঁশি
|
বন্দীর বন্দনা, শিকল পরা গান, জাতের নামে বজ্জাতি।
|
|
সর্বহারা
|
আমার কৈফিয়ৎ, কাণ্ডারী হুশিয়ার।
|
|
সাম্যবাদী
|
মানুষ, নারী, কুলি-মজুর, ঈশ্বর, পাপ, চোর-ডাকাত।
|
|
চক্রবাক
|
বাতায়ন পাশে গুবাক তরুর সারি।
|
|
সন্ধ্যা
|
জীবন বন্দনা, চল চল চল ( বাংলাদেশের রণ সংগীত )।
|
|
ফণিমনসা
|
সব্যসাচী, আর্শীবাদ।
|
❖ শ্রেষ্ঠ কবিতার সংকলন
সঞ্চিতা: ১৯২৮ সালে প্রকাশ হয়। উৎসর্গ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে এবং লিখেন ‘বিশ্বকবি সম্রাট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু’। এতে কবিতা ও গান রয়েছে ৭৮টি।
❖ কাজী নজরুলের নিষিদ্ধ গ্রন্থ
|
কাব্যগ্রন্থ
|
বিষের বাঁশি, প্রলয় শিখা, ভাঙ্গার গান।
|
|
গানের গ্রন্থ
|
চন্দ্রবিন্দু
|
|
প্রবন্ধগ্রন্থ
|
যুগবাণী ( প্রথম বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ )
|
|
অগ্নিবীণা কাব্য নিষিদ্ধ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। বাংলা একাডেমির চরিতাভিধানে গ্রন্থটি বাজেয়াপ্ত হওয়ার কথা বলা আছে।
|
❖ উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ
মন্দির ও মজিদ, তুর্ক মহিলার ঘোমটা খোলা ( ১৯১৯, তাঁর প্রথম প্রবন্ধ ), মুহাজিরিন হত্যার জন্য দায়ী কে ?
❖ নাটক
ঝিলিমিলি ( নাট্যগ্রন্থ, ১৯৩০), আলেয়া (গীতিনাট্য), পুতুলের বিয়ে, মধুবালা, ঝড় ( কিশোর কাব্য-নাটক), বাসন্তিকা, বিষ্ণুপ্রিয়া, বনের বেদে।
❖ গানের গ্রন্থ
বুলবুল ( প্রথম খন্ড- ১৯২৮, দ্বিতীয় খন্ড- ১৯৫২), চোখের চাতক ( ১৯২৯), চন্দ্রবিন্দু ( ১৯৪৬), নজরুল গীতিকা ( ১৯৩০), সুর-সাকী ( ১৯৩১), গুল-বাগিচা ( ১৯৩৩), জুলফিকার ( ১৯৩২), গীতি-শতদল ( ১৯৩৪), সুরলিপি ( ১৯৩৪), সুর-মুকুল ( ১৯৩৪), বন-গীতি ( ১৯৩২), গানের মালা, নজরুল স্বরলিপি, সন্ধ্যা মালতী। এছাড়া শ্যামা সংগীত গ্রন্থ – রাঙাজবা এবং গজলের গ্রন্থ – বুলবুল।
❖ অনুবাদ
রুবাইয়াৎ-ই ওমর খৈয়াম (১৯৩৫), রুবাইয়াৎ-ই হাফিজ, কাব্য আমপারা।
❖ একনজরে
⮚ রণ সংগীত: চল চল চল ( ২১ লাইন )। এটি সন্ধ্যা কাব্যের অন্তর্গত। নতুনের গান নামে শিখা পত্রিকায় প্রথম প্রকাশ পায় ১৯২৮ সালে। ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে গানটি - রণসংগীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।
⮚ অগ্নিবীণা কাব্য উৎসর্গ করা হয় - বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে।
⮚ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে কাজী নজরুল শান্তি নিকেতনে দেখা করেন - ১৯২১ সালে।
⮚ বিদ্যাপতি কাজী নজরুলের - একটি পালা নাটক।
❖ উপন্যাস
বাঁধন-হারা: কাজী নজরুলের প্রথম উপন্যাস ( ১৯২৭ )। এটি ১৯২১ সালে ‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস। এতে ১৮টি পত্র আছে।
মৃত্যু-ক্ষুধা: এটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস এবং সওগাত পত্রিকায় ধারবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
কুহেলিকা: গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৩১ সালে। নওরোজ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
❖ উপন্যাসের চরিত্র
|
উপন্যাস
|
চরিত্র
|
|
বাঁধন-হারা
|
নরুল হুদা, মাহবুবা, রাবেয়া, সাহসিকা।
|
|
মৃত্যু-ক্ষুধা
|
আনসার, মেজ-বৌ, রুবি, মোয়াজ্জেম।
|
|
কুহেলিকা
|
জাহাঙ্গীর, তাহমিনা ( ভূণী ), চম্পা, ফিরদৌস বেগম।
|
❖ গল্পগ্রন্থ ও গল্প
|
গল্পগ্রন্থের নাম
|
গল্পের নাম
|
|
ব্যথার দান (১ মার্চ, ১৯২২)। তাঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ।
|
ব্যথার দান, হেনা, অতৃপ্ত, কামনা, বাদল-বরিষণে, ঘুমের ঘোরে, রাজবন্দীর চিঠি।
|
|
রিক্তের বেদন (১৯২৫)
|
রিক্তের বেদন, বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী, মেহের-নেগার, সাঁঝের তারা, রাক্ষুসী, সালেক, স্বামীহারা, দুরন্ত পথিক।
|
|
শিউলিমালা (১৯৩১)
|
পদ্ম গোখরা, জিনের বাদশা, শিউলিমালা, অগ্নিগিরি,
|
❖ প্রবন্ধগ্রন্থ
|
প্রবন্ধগ্রন্থ
|
যুগবাণী ( ১৯২২, প্রথম প্রবন্ধের বই ), রাজবন্দীর জবানবন্দী ( ১৯২৩, মাত্র চার পৃষ্ঠার বক্তব্য ), রুদ্র মঙ্গল, দুর্দিনের যাত্রী ( ১৯২৬ )।
|
❖ বিখ্যাত উক্তি
⮚ হিন্দু না ওরা মুসলিম এই জিজ্ঞাসে কোন জন হে, কাণ্ডারি বল ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মা’র ।
⮚ বিদ্রোহী মানে কাউকে না মানা নয়। যা বুঝিনা তা মাথা উঁচু করে বুঝি না বলা।
⮚ কোন কালে একা হয়নি ক’ জয়ী পুরুষের তরবারি,/প্রেরণা দিয়াছে, শক্তি দিয়াছে বিজয়-লক্ষ্মী নারী।
⮚ বল বীর-বল উন্নত মম শির! শির নেহারী’ আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রীর।
⮚ কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট।
⮚ বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে, আমরা তখনও বসে- বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজেছি, ফিকাহ ও হাদিস চষে।
⮚ আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস, আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ।
⮚ মম একহাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী, আর হাতে রণতূর্য।