❖কর্মজীবনঃ
১৯৫৪ সালে ঢাকা আগমন করেন। কবি আব্দুর রশীদ ওয়াসেকপুরী সম্পাদিত ও নাজমুল হক প্রকাশিত সাপ্তাহিক কাফেলায় লেখালেখি শুরু করেন। পাশাপাশি দৈনিক মিল্লাত পত্রিকায় প্রুফ রিডার হিসেবে সাংবাদিকতা জগতে পদচারণা শুরু করেন। ১৯৫৫ সাল কবি আব্দুর রশীদ ওয়াসেকপুরী কাফেলার চাকরি ছেড়ে দিলে তিনি সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন।
❖পুরস্কারঃ
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮), নাসিরউদ্দীন স্বর্ণপদক (১৯৯০), একুশে পদক (১৯৮৭), জয় বাংলা পুরস্কার (১৯৭২), ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৬), ভানুসিংহ সম্মাননা পদক (২০০৪), লালন পুরস্কার (২০১১)
❖ কাব্যগ্রন্থঃ লোক লোকান্তর (১৯৬৩, প্রথম কাব্য), সোনালী কাবিন (১৯৭৩), কালের কলস (১৯৬৬), মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো (১৯৭৬), আরব্য রজনীর রাজহাঁস (১৯৮৬), বখতিয়ারের ঘোড়া (১৯৮৪), অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না (১৯৮০), দোয়েল ও দয়িতা (১৯৯৭), পাখির কাছে, ফুলের কাছে (১৯৮০), দ্বিতীয় ভাঙ্গন (২০০২), প্রেমের কবিতা, একচক্ষু হরিণ।
❖ গল্পগ্রন্থঃ পানকৌড়ির রক্ত (১৯৭৫), সৌরভের কাছে পরাজিত (১৯৮৩), গন্ধবণিক (১৯৮৬), ময়ূরীর মুখ (১৯৯৪)।
❖ উপন্যাসঃ ডাহুকী (১৯৯২), কাবিলের বোন (২০০১), উপমহাদেশ (১৯৯৩, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক), পুরুষ সুন্দর (১৯৯৪), আগুনের মেয়ে (১৯৯৫), চেহারার চতুরঙ্গ, নিশিন্দা নারী, কবি ও কোলাহল, মরু মূষিকের উপত্যকা (কিশোর উপন্যাস)।
❖ প্রবন্ধঃ কবির আত্মবিশ্বাস, দিনযাপন, নারী নিগ্রহ, কবিতা বহুদূর।
এছাড়া তোমার গন্ধে ফুল ফুটেছে (২০১৫), ছায়ায় ঢাকা মায়ার পাহাড় (রূপকথা), ত্রিশেরা, উড়াল কাব্য, বিচূর্ণ আয়নায় কবির মুখ, নদীর ভেতরের নদী তাঁর গ্রন্থ।
❖ বিশেষ তথ্য
✔ তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ⎯ সোনালী কাবিন।
✔ কবিতার বিশেষত্ব⎯ লোকজ ঐতিহ্য ও লোকশব্দ ব্যবহার।
✔ ‘সোনালী কাবিন’ কবিতাটি রচিত চৌদ্দটি সনেটের সমন্বয়ে।
✔ ‘সোনালী কাবিন’ কাব্যের উল্লেখযোগ্য কবিতা⎯ জাতিস্মর, পালক ভাঙার প্রতিবাদ, ক্যামোফ্লাজ, তোমার আড়ালে।
✔ একুশের কবিতা, নোলক, জেলগেটে দেখা, সোনালি কাবিন-০১, বিপাশার চোখ কবিতার রচয়িতা⎯ আল মাহমুদ।