❖ শিক্ষা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে এমএ (১৯৫৪), উন্নয়ন অর্থনীতি বিষয়ে ডিপ্লোমা, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়। পুরস্কার: বাংলা সাহিত্য একাডেমি (১৯৭৯), একুশে পদক (১৯৮৫)।
❖ পুরস্কার: বাংলা সাহিত্য একাডেমি (১৯৭৯), একুশে পদক (১৯৮৫)।
❖ কাব্যগ্রন্থ: সাতনরী হার (১৯৫৫, প্রথম কাব্য), কখনো রং কখনো সুর (১৯৭০), কমলের চোখ (১৯৭৪), আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি (১৯৮১), সহিষ্ণু প্রতীক্ষা (১৯৮২), বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা (১৯৮৩), আমার সময় (১৯৮৭), নির্বাচিত কবিতা (১৯৯১), আমার সকল কথা (১৯৯৩), প্রেমের কবিতা (১৯৮২), খাঁচার ভিতর অচিন পাখি, মসৃণ কৃষ্ণগোলাপ (২০০২, জীবিত অবস্থার সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ)।
❖ গবেষণাধর্মী গ্রন্থ: Yellow Sands' Hills: China through Chinese Eyes (চীনের কমিউন সম্পর্কে ), Rural Development: Problems and Prospects; (বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়ন সম্পর্কে ), Creative Development; Food and Faith।
❂ বিশেষ তথ্য
➢ ১৯৫৮ সালে Later Poems of Yeats: The Influence of Upanishads বিষয়ে গবেষণা করেন যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে।
➢ ১৯৮২ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকারের কৃষি ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে যোগদান করেন।
➢ ১৯৮৪ সালে তিনি ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত হন।
➢ ১৯৯১ সালে তিনি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ব্যাংককস্থ FAO কার্যালয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৯৯৭ সালে FAO থেকে অবসর গ্রহণের সময় তিনি এ প্রতিষ্ঠানের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মহাপরিচালক ছিলেন।
➢ ১৯৯৮ সালে দেশে প্রত্যাবর্তনের পর আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজের চেয়ারম্যান হিসেবে কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেন।
➢ এছাড়া তিনি উইনরক ফাউন্ডেশনের সাম্মানিক সদস্য; হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স এবং জন এফ কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্ট-এর ফেলো ছিলেন।
➢ তিনি কবিদের জন্য প্রতিষ্ঠা করেন ‘পদাবলি’ নামের সংগঠন।
➢ মাগো ওরা বলে, কোনো এক মাকে, কবিতার লেখক আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ। যা ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা।
➢ তিনি তাঁর কাব্যরীতিতে মূলত দুটি প্রবণতাকে অনুসরণ করেন, তাঁর প্রথম জীবনের প্রিয় গীতিমুখ্য কাব্যরীতি আর অন্যটি মহাকাব্যিক।