❖উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম
মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য (১৯৬৪), মুসলিম বাংলার সাময়িক পত্র, স্বরূপের সন্ধানে (১৯৭৬), আঠারো শতকের চিঠি (১৯৮৩), পুরোনো বাংলা গদ্য, আমার একাত্তর (১৯৯৭), আমার চোখ (১৯৯৯),
বাঙালি নারী: সাহিত্যে ও সমাজে, কাল নিরবধি (২০০৩), মুক্তির সংগ্রাম (২০১২), পূর্বগামী (২০০১), বিপুলা পৃথিবী (২০১৫), মুক্তিযুদ্ধ ও তারপর, আমার চোখে।
এছাড়া রয়েছে- Creativity, Reality and Identity (১৯৯৩), Cultural Pluralism (১৯৯৩), Identity, Religion and Recent History (১৯৯৫, পরিচয়, ধর্ম এবং সাম্প্রতিক ইতিহাস)।
❖বিশেষ তথ্য
● তিনি ভাষা আন্দোলন, রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী পালন, অসহযোগ আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন।
● ১৯৫৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলা একাডেমির গবেষণা বৃত্তি লাভ করেন। একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইংরেজ আমলের বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের চিন্তাধারায় ১৭৫৭-১৯১৮’ বিষয়ে পিএইচডি শুরু করেন।
● ১৯৬৯ সালের জুনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের রিডার হিসেবে যোগদান করেন।
● ১৯৮৫ সালে তিনি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে আসেন।
● তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরিটাস অধ্যাপক ছিলেন এবং নজরুল ইনস্টিটিউট ও বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
● ১৯৬৫ সালে ‘উনিশ শতকের বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাস: ইয়ং বেঙ্গল ও সমকাল’ বিষয়ে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পোস্ট ডক্টরাল ডিগ্রি অর্জন করেন।
● মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ছিলেন।
● ১৯৭২ সালে ড. কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে গঠিত জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন।
● শিল্পকলা বিষয়ক ত্রৈমাসিক পত্রিকা ‘যামিনী’ এবং বাংলা মাসিকপত্র ‘কালি ও কলম’-এর সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
● তিনি ২০১৮ সালে জাতীয় অধ্যাপক নিযুক্ত হন।